গোপনীয়তা গুরুত্বপূর্ণ কারণ মানুষের তথ্য অন্যদের তাদের ওপর ক্ষমতা বা নিয়ন্ত্রণ এনে দেয়; তাই আসল প্রশ্ন হলো, এই ক্ষমতার মালিক কে? আইনের অধ্যাপক নীল রিচার্ডস তাঁর হোয়াই প্রাইভেসি ম্যাটার্স (২০২১) বইয়ে এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। যখন কেউ আপনার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জানতে ও ব্যবহার করতে পারে, তখন তারা আপনাকে কী অফার করা হবে, কীভাবে বিচার করা হবে এবং আপনি কী করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন—সেগুলো প্রভাবিত করতে পারে।
মানুষ প্রায়ই বলে থাকে গোপনীয়তা নাকি ইতোমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। মার্ক জাকারবার্গ একবার ঘোষণা করেছিলেন যে গোপনীয়তার যুগ শেষ। রিচার্ডস এর সাথে দ্বিমত পোষণ করে বলেন, এর ভবিষ্যৎ এখনো উন্মুক্ত—যার অর্থ এটি এখনো নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
এই পৃষ্ঠায় গবেষকদের ব্যবহৃত সংজ্ঞা অনুযায়ী গোপনীয়তা (Privacy), নিরাপত্তা (Security) এবং নামহীনতা (Anonymity)-কে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, গোপনীয়তার অভাবে কী কী সমস্যা হয় তা দেখানো হয়েছে এবং দুটি সাধারণ আপত্তির উত্তর দেওয়া হয়েছে: গোপনীয়তা কেবলই গোপন রাখা (Secrecy), এবং এটি কেবলই ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণের বিষয়। তবে এসব বিষয়ে কী করণীয়, এই পেজটি আপনাকে তা বলবে না। সেটি আমাদের ডিজিটাল সেকশনে আলোচনা করা হয়েছে।
গোপনীয়তা বলতে কী বোঝায়
মানুষ প্রায়শই গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং নামহীনতাকে একই অর্থে ব্যবহার করে। কিন্তু গবেষকরা এদের আলাদা হিসেবে বিবেচনা করেন। এই পার্থক্যগুলো বুঝলেই বোঝা যায় কেন একটি টুল বা প্রযুক্তি কোনো একটি কাজে অত্যন্ত দক্ষ হলেও অন্য কাজের ক্ষেত্রে অকার্যকর হতে পারে।
গোপনীয়তা (Privacy)
এর কোনো একক স্বীকৃত সংজ্ঞা নেই। সবচেয়ে প্রভাবশালী সংজ্ঞাটি এসেছে অ্যালান ওয়েস্টিনের ১৯৬৭ সালের বই প্রাইভেসি অ্যান্ড ফ্রিডম থেকে। তিনি গোপনীয়তাকে বর্ণনা করেছেন কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের এমন একটি দাবি হিসেবে, যার মাধ্যমে তারা নিজেরা নির্ধারণ করে যে তাদের তথ্য কখন, কীভাবে এবং কতটুকু অন্যদের কাছে পৌঁছাবে। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেসি প্রফেশনালস (IAPP) উল্লেখ করেছে যে, এর পর থেকে প্রণীত প্রায় প্রতিটি ডেটা সুরক্ষা আইন এই ধারণাকে প্রতিফলিত করে—যার মধ্যে ১৯৮০ সালের OECD নির্দেশিকা, ১৯৯৫ সালের ইইউ নির্দেশিকা এবং ২০০৪ সালের APEC ফ্রেমওয়ার্ক অন্তর্ভুক্ত।
রিচার্ডস একটি সহজ সংস্করণ উপস্থাপন করেছেন: গোপনীয়তা হলো মানুষের সম্পর্কিত তথ্য কতটা অজানা বা অব্যবহৃত রয়েছে তার মাত্রা। জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক ড্যানিয়েল সোলোভ গোপনীয়তাকে “বিশৃঙ্খল একটি ধারণা” বলে অভিহিত করেছেন এবং একক সংজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গোপনীয়তার সমস্যা থেকে তৈরি হওয়া নির্দিষ্ট ক্ষতিগুলোকে তালিকাভুক্ত করেছেন। আমরা নিচে তাঁর সেই তালিকায় ফিরে আসব।
এই সংজ্ঞাগুলোর মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও, তিনটি সংজ্ঞাই মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য কীভাবে আদান-প্রদান হয়, তা নিয়ে আলোচনা করে। এগুলোর কোনটিই কোনো কিছু লুকিয়ে রাখা সম্পর্কিত নয়।
নিরাপত্তা (Security)
নিরাপত্তার একটি প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ড রয়েছে। মার্কিন ফেডারেল আইন—যা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি (NIST)-র গ্লসারিতেও রয়েছে—তথ্য নিরাপত্তাকে সংজ্ঞায়িত করে এভাবে: অননুমোদিত প্রবেশ, ব্যবহার, প্রকাশ, বিঘ্ন ঘটানো, পরিবর্তন বা ধ্বংস থেকে তথ্য এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যবস্থাগুলোকে রক্ষা করা। এর লক্ষ্য হলো তথ্যকে গোপন রাখা, অক্ষত রাখা এবং প্রয়োজনে সহজলভ্য রাখা। এই তিনটি লক্ষ্যকে প্রায়শই গোপনীয়তা (Confidentiality), অখণ্ডতা (Integrity) এবং প্রাপ্যতা (Availability)—সংক্ষেপে ‘CIA triad’ বলা হয়।
NIST-এর গোপনীয়তার সংজ্ঞায় ব্যক্তিগত প্রাইভেসি রক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, এবং এখানেই দুই ধারণার সংযোগ ঘটে। নিরাপত্তা হলো গোপনীয়তা রক্ষার একটি মাধ্যম, দুটো একই জিনিস নয়। HTTPS (ওয়েব প্রোটোকলের এনক্রিপ্ট করা রূপ) ব্যবহার করে এমন একটি ওয়েবসাইট আপনার নেটওয়ার্কের অন্য কাউকে আপনার পাঠানো তথ্য পড়তে বা পরিবর্তন করতে বাধা দেয়। এটি হলো নিরাপত্তা। কিন্তু সাইটের মালিক পরে সেই ডেটা নিয়ে কী করবেন, সে বিষয়ে এটি কিছুই বলে না।
নামহীনতা (Anonymity) এবং ছদ্মনামিতা (Pseudonymity)
গবেষণায় সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত পরিভাষাটি এসেছে আন্দ্রেয়াস ফিটজম্যান এবং মারিট হ্যানসেনের কাছ থেকে। তারা নামহীনতাকে সংজ্ঞায়িত করেছেন—সম্ভাব্য একদল ব্যক্তির (যাকে Anonymity সেট বলা হয়) মধ্যে আলাদাভাবে চিহ্নিত না হওয়ার অবস্থা হিসেবে। অন্য সব কিছু ঠিক থাকলে, সেই দলটি যত বড় হবে, নামহীনতা তত শক্তিশালী হবে। সুতরাং বেনামী বা নামহীন হওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনার কোনো নাম নেই; এর অর্থ হলো আপনি এমন অনেক মানুষের একজন যারা কোনো একটি কাজ করে থাকতে পারে।
ছদ্মনামিতা (Pseudonymity) আলাদা বিষয়: এখানে আপনি একটি স্থায়ী পরিচয়ক ব্যবহার করেন, যেমন একটি ইউজারনেম, যা আপনার আইনি বা আসল পরিচয়ের সাথে যুক্ত নয়। আপনি কে তা না জেনেই মানুষ বিভিন্ন পোস্টে আপনার ইউজারনেম দেখে চিনতে পারে।
এই তিনটির পারস্পরিক সম্পর্ক
একটি এনক্রিপ্ট করা মেসেঞ্জার আপনাকে নিরাপত্তা দেয়, কারণ বাইরের কেউ বার্তাগুলো পড়তে বা পরিবর্তন করতে পারে না; এবং বার্তার বিষয়বস্তুর জন্য এটি আপনাকে গোপনীয়তাও দেয়। কিন্তু পরিষেবাটি যদি জানে কে কার সাথে কথা বলছে, তবে এটি আপনাকে নামহীনতা দেবে না। কোনো পাবলিক ফোরামে ছদ্মনামে পোস্ট করা ছদ্মনামভিত্তিক হলেও তা গোপনীয় নয়, কারণ যে কেউ তা পড়তে পারে। একটি ডেটা লিক হলো নিরাপত্তার ব্যর্থতা যা গোপনীয়তার ক্ষতি করে।
বেশিরভাগ বাস্তব পরিস্থিতিতে এই তিনটির মিশ্রণের প্রয়োজন হয় এবং একই সাথে তিনটিই পুরোপুরি পাওয়া কঠিন। আপনার জন্য কোনটি গুরুত্বপূর্ণ তা নির্ধারণ করা থ্রেট মডেলিংয়ের (Threat modeling) কাজ।
গোপনীয়তা না থাকলে কী সমস্যা হয়
সোলোভের ২০০৫ সালের এ ট্যাক্সোনোমি অব প্রাইভেসি গবেষণায় গোপনীয়তার ক্ষতিগুলোকে তাদের সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করে বিন্যস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি বিষয় অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে:
অ্যাগ্রিগেশন বা তথ্য একত্রীকরণ (Aggregation): এটি হলো একজন ব্যক্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য একত্রিত করা। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে, ডিসমিসল্যাব (Dismislab) বাংলাদেশের বিক্রেতাদের কাছ থেকে তিন ধরনের ডেটা কেনার কথা জানায়: ৫০০ টাকায় ১৭ মিনিটের মধ্যে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) কপি, ১,০ ৫০ টাকায় তিন মাসের কল রেকর্ড এবং একটি ফোনের সাম্প্রতিক লোকেশন বা অবস্থান। প্রতিটি তথ্য আলাদাভাবে দেখলে তার মূল্য সীমিত, কিন্তু একসাথে এগুলো দেখায় যে একজন ব্যক্তি কার সাথে কথা বলছেন এবং কোথায় সময় কাটাচ্ছেন। ডিসমিসল্যাব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে এই ডেটার সত্যতা যাচাই নিশ্চিত করেছিল।
মাধ্যমিক বা নতুন উদ্দেশ্যে ব্যবহার (Secondary use): সংগৃহীত তথ্যের মূল উদ্দেশ্যের বাইরে, ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই তা অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা। ২০২৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (FTC) তিনটি ডেটা ব্রোকারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তারা বিভিন্ন ফোন অ্যাপের মাধ্যমে সংগৃহীত লোকেশন ডেটা বিক্রি করছিল, যা দ্বারা মানুষ স্বাস্থ্য ক্লিনিক বা উপাসনালয়ের মতো সংবেদনশীল স্থানে গেছে কি না তা প্রকাশ পেত। সংস্থাটি জানায়, এই চর্চা মানুষকে সামাজিক লাঞ্ছনা, বৈষম্য এবং সহিংসতার ঝুঁকিতে ফেলে।
বর্জন বা অন্ধকারে রাখা (Exclusion): আপনার তথ্য কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তা জানতে না পারা বা তাতে প্রভাব ফেলতে না পারা। কোচাভা (Kochava) নামক অপর এক ডেটা ব্রোকারের বিরুদ্ধে মামলায় FTC জানায়, মানুষ প্রায়শই জানতে পারে না যে তাদের লোকেশন ডেটা কেনাবেচা হচ্ছে এবং এর ওপর তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
রিচার্ডস এই বিষয়গুলোর মূল ঝুঁকির জায়গাগুলোকে চারটি মূল্যে সংক্ষেপ করেছেন: পরিচয়, ক্ষমতা, স্বাধীনতা এবং বিশ্বাস। মানবাধিকার আইন অনেক আগেই অনুরূপ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল। ১৯ ৪৮ সালের সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ১২ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কারও গোপনীয়তা, পরিবার, গৃহ বা যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইচ্ছামতো হস্তক্ষেপ করা যাবে না এবং আইন সবাইকে এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেবে।
গোপনীয়তা মানে গোপন রাখা নয়
গোপনীয়তা সংক্রান্ত উদ্বেগের সাধারণ একটি জবাব হলো—যাদের কিছু লুকানোর নেই, তাদের ভয় পাওয়ারও কিছু নেই। ২০০৭ সালে সোলোভ এই যুক্তির ওপর একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন। তিনি বলেন, এই যুক্তিটি তখনই খাটে যদি গোপনীয়তা বলতে কেবল অন্যায় কাজ লুকিয়ে রাখা বোঝায়—যা একটি সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি এবং ডেটা সংগ্রহ ও ব্যবহারের ফলে তৈরি হওয়া অন্যান্য সমস্যা সম্পর্কে নীরব থাকে। ২০০৫ সালের ট্যাক্সোনোমিতে তিনি এটিকে “সিক্রেসি প্যারাডাইম” বা গোপনীয়তার ছাঁচ হিসেবে অভিহিত করেছেন: এই ধারণা অনুযায়ী যা কিছু লুকানো নয়, তাতে গোপনীয়তার কোনো স্বার্থ নেই।
দৈনন্দিন জীবনই প্রমাণ করে কেন এই যুক্তিটি ব্যর্থ। আপনি একজন ডাক্তারকে আপনার উপসর্গের কথা বলেন, ব্যাংককে আপনার আয়ের কথা বলেন এবং বন্ধুকে বলেন আপনি কোথায় থাকেন। যার কাছে বলেছেন তার কাছে এগুলো গোপন নয়। কিন্তু এই তিনটি তথ্য একটি ফাইলে এনে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হলে আপনি অবশ্যই আপত্তি তুলবেন। এটিই হলো অ্যাগ্রিগেশন এবং মাধ্যমিক ব্যবহার, এবং আপনি কোনো ভুল করেছেন কি না তার ওপর এটি নির্ভর করে না। গোপনীয়তার পরীক্ষা এটি নয় যে কোনো কিছু লুকানো আছে কি না; বরং পরীক্ষা হলো তথ্য কেবল আপনার প্রত্যাশিত ব্যক্তি ও উদ্দেশ্যেই প্রবাহিত হচ্ছে কি না।
গোপনীয়তা কি কেবলই নিয়ন্ত্রণের বিষয়?
ওয়েস্টিনের সংজ্ঞাটি একটি ‘নিয়ন্ত্রণ মডেল’ এবং এটি বিশ্বজুড়ে ডেটা সুরক্ষা আইনগুলোকে প্রভাবিত করেছে। এটি আকর্ষণীয়, কারণ এটি আপনাকে আপনার তথ্যের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হিসেবে বিবেচনা করে।
তবে এর দুর্বলতা হলো এর পরিধি বা স্কেল। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার অর্থ হলো আপনার ডেটা রয়েছে এমন প্রতিটি অ্যাপ, ওয়েবসাইট, মোবাইল অপারেটর এবং ক্লিনিকের সাথে সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া। প্রাইভেসি গাইডস (Privacy Guides) নামক একটি অলাভজনক প্রাইভেসি প্রজেক্ট জানিয়েছে, তারা একসময় গোপনীয়তাকে ‘নিয়ন্ত্রণ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করলেও পরে সেই দৃষ্টিভঙ্গি বাদ দেয়। তাদের মতে, কুকি ব্যানার এবং সেটিংস ড্যাশবোর্ডগুলো মানুষকে নিয়ন্ত্রণের একটি মিথ্যা আভাস দেয়, যেখানে পুরো দায়ভার চাপিয়ে দেওয়া হয় ব্যক্তির ওপর।
আমরা মনে করি এই যুক্তিটি কিছুটা সঠিক। নিয়ন্ত্রণ একটি ভালো অধিকার হলেও, একা এটি কোনো ভালো কৌশল নয়। মার্কিন আইনেও একই ধরনের সমস্যার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। FTC কোনো চর্চাকে তখন অসাধু বা অন্যায় হিসেবে বিবেচনা করে যখন তা গ্রাহকের বড় কোনো ক্ষতির কারণ হয় যা গ্রাহক নিজে এড়াতে পারেন না। যেসব ক্ষতি আপনি নিজের পছন্দ দিয়ে এড়াতে পারেন না, সেগুলোর জন্য নিয়ম বা আইনের প্রয়োজন, কেবল ব্যক্তিগত পছন্দের নয়। রিচার্ডস তাঁর পুরো বই জুড়েই একই যুক্তি দিয়েছেন: পরিচয়, স্বাধীনতা এবং বিশ্বাস রক্ষা করার জন্য এমন প্রাইভেসি আইন বা নিয়ম প্রয়োজন যা যেকোনো ব্যক্তি ক্লিক যাই করুক না কেন—সর্বত্র প্রযোজ্য হবে।
উৎসসমূহ (Sources)
- Privacy and Freedom, অ্যালান এফ. ওয়েস্টিন, অ্যাথেনিয়াম, ১৯৬৭ (সংজ্ঞা এবং পরবর্তী আইনে এর প্রভাব, যেমনটি “IAPP brings Westin’s Privacy and Freedom back into print”, IAPP, ২০১৪-তে বর্ণিত)।
- Westin’s privacy scholarship, research influenced a generation, IAPP, ২০১৩।
- Why Privacy Matters (book listing), নীল রিচার্ডস, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০২১।
- Is privacy dead?, নীল রিচার্ডসের সাক্ষাৎকার, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ইন সেন্ট লুইস, ২০২১।
- Why Privacy Matters (summary), গেটঅ্যাবস্ট্রাক্ট, ২০২১।
- A Taxonomy of Privacy, ড্যানিয়েল জে. সোলোভ, ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়া ল রিভিউ ১৫৪, ২০০৫।
- ‘I’ve Got Nothing to Hide’ and Other Misunderstandings of Privacy, ড্যানিয়েল জে. সোলোভ, সান দিয়েগো ল রিভিউ, ২০০৭।
- Information security (glossary entry), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি, অক্টোবর ২০২৬ অনুযায়ী।
- Security (glossary entry), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি, অক্টোবর ২০২৬ অনুযায়ী।
- A terminology for talking about privacy by data minimization, আন্দ্রেয়াস ফিটজম্যান এবং মারিট হ্যানসেন, টিইউ ড্রেসডেন, ২০১০ (খসড়া v0.33)।
- Universal Declaration of Human Rights, জাতিসংঘ, ১৯৪৮।
- NID in 17 minutes, location in 16: Report finds Bangladeshis’ personal data sold as commodity, বিডিনিউজ২৪.কম হয়ে দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, ২০২৬ (ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানের প্রতিবেদন)।
- US: FTC acts to limit sale of location data by data brokers, পোস্টিও, ২০২৪।
- FTC Suing Data Broker for Selling Off Location Data of US Citizens, টেক.কো, ২০২২।
- Phone app location data brokers are a growing menace to our privacy and safety, ইলেকট্রনিক ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশন, ২০২২।
- Why Privacy Matters, প্রাইভেসি গাইডস, ২০২৫।